নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়নে স্ত্রীকে হত্যার উদ্দেশ্যে গলায় ছুরিকাঘাত পরে স্বামী নিজেই আত্মহত্যা।
দৈনিক মায়ের আঁচল রিপোর্ট,হারুন অর রশিদ সাগর নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি:-
নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা কুতুবপুর ইউনিয়নের স্ত্রীকে হত্যার উদ্দেশ্যে গলায় ছুরিকাঘাত করে পরে স্বামী নিজেই গলায় ফাঁসি দিয়ে আত্মহত্যা করেছে।
হারুন অর রশিদ সাগর নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি:-
বুধবার ২৩ সেপ্টেম্বর সকালে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার কুতুবপুর ইউনিয়নের চিতাশাল ১নং গলির ফারুক হোসেন খোকনের ভাড়া বাড়ির দুতলার ফ্ল্যাটে হত্যার উদ্দেশ্যে স্ত্রীর গলায় ছুরিকাঘাত করে শামীম হোসেন নামে এক ইজিবাইক চালক গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে।
জানা গেছে নিহত শামীম হোসেন (৩৫) শরীয়তপুর জেলার গোসাইরহাট রানীশাহ গ্রামের মৃত. নুরু বেপারীর ছেলে। আহত ময়ুরী বেগম (৩০) একই গ্রামের জয়নাল মাদবরের মেয়ে। তাদের ৩জন শিশু সন্তান রয়েছে। দুপুর দেড়টায় লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ।
প্রতিবেশীরা জানান, শামীম ও তার স্ত্রী ময়ুরী বেগমের সাথে পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে প্রায় সময় ঝগড়া হতো। সকাল ১০টার সময় তাদের মধ্যে ঝগড়ার এক পর্যায়ে শামীম বাসা থেকে বের হয়ে যায়। কিছুক্ষনপর ফের বাসায় এসে দরজার সামনে ময়ূরী বেগমকে গলায় ছুরিকাঘাত করে। তখন গলা ধরে দৌড়ে বাড়ির বাহিরে বের হয়ে যায় ময়ূরী বেগম।
এরপর ঘরের দরজা লাগিয়ে ফ্যানের সাথে ফাস দিয়ে আত্মহত্যা করে শামীম। এসময় শামীমের মা পাশের ঘর থেকে এসে ডাক চিৎকার করলে আশপাশের ফ্ল্যাটের লোকজন এগিয়ে আসেন। পরে থানায় খবর দিলে পুলিশ এসে ময়ূরীর ঢাকা মেডিকেলে প্রেরন করেন এবং শামীমের লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে।
এবিষয়ে ফতুল্লা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহবুব আলম জানান, আহত নারীকে চিকিৎসা দেয়া জন্য ঢাকা মেডিকেলে পাঠানো হয়েছে তার চিকিৎসা চলছে।
সুস্থ হলে ঘটনার কারন জানাযাবে।
লাশ ময়না তদন্তের জন্য হাসপতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
নিহতের বড় ভাই মোস্তফা জানান, শামীম ও ময়ূরীর এক ছেলে ফাহিম (১০) দুই মেয়ে ফাতেমা (৪), ফিরিস্তা (১) বয়সের সন্তান আছে। ৩জনই শিশু।
কি কারনে শামীম এঘটনা ঘটিয়েছে কিছুই বলতে পারেননি নিহতের ভাই মোস্তফা।