৩১শে ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
অপরাধ নির্মূল ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে বস্তুনিষ্ঠ তথ্য দিয়ে পুলিশকে সহযোগিতা করার জন্য সাংবাদিক সমাজের প্রতি আহ্বান জানান নবনিযুক্তএসপি। শিক্ষার্থীদের শুধু ফলাফলমুখী শিক্ষার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে নৈতিকতা, মানবিক মূল্যবোধ, বাস্তবিক জ্ঞান, দক্ষতা ও সৃজনশীলতার সমন্বয়ে গড়ে তুলতে হবে – ডিসি সোনারগাঁওয়ে ০৫ কেজি গাঁজাসহ ০১ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার থানা পুলিশ । বিভিন্ন মামলায় নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থেকে ৪০ জন আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সংরক্ষিত সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মাধবী মার্মার মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত নারায়ণগঞ্জে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতিসহ ২২ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ মহাসড়কে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে সশস্ত্র ডাকাত গ্রেফতার, দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করেছে পুলিশ। নারায়ণগঞ্জে বিশেষ পুলিশি অভিযানে ০৭ টি থানা ও ডিবি কর্তৃক সর্বমোট ২০ জন মাদক ব্যবসায়ী, ৬৭ জন মাদকসেবী এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের ০৫ জন এবং ওয়ারেন্ট মূলে ০৪ জনসহ সর্বমোট ৯৬ (ছিয়ানব্বই) জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। नेपाल में रहे भारतीय राजदूत का दो दिवसीय वीरगंज दौरा/নেপালে নিযুক্ত ভারতীয় রাষ্ট্রদূতের দুই দিনের বীরগঞ্জ সফর नेपाल के पोखरिया के बसंतपुर विद्यालय भवन के लिए 76 लाख से अधिक रुपये की सहायता परियोजना स्वीकृत/নেপালের পোখরিয়ার বসন্তপুর বিদ্যালয় ভবনের জন্য ৭৬ লাখের বেশি টাকার সহায়তা প্রকল্প অনুমোদিত।

বন্দরের কুড়ি পাড়া ভূমি অফিসের নায়েব মফিজ এর বেপরোয়া ঘুষ বানিজ্যে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী। মায়ের আঁচল রিপোর্ট

হারুন অর রশিদ সাগর, ঢাকা নারায়ণগঞ্জ
  • Update Time : শুক্রবার, মার্চ ৬, ২০২৬,
  • 472 Time View

বন্দরের কুড়ি পাড়া ভূমি অফিসের নায়েব মফিজ এর বেপরোয়া ঘুষ বানিজ্যে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী।

দৈনিক মায়ের আঁচল রিপোর্ট নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি :

নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার ইউনিয়ন ভূমি অফিসগুলোতে নিয়মিত সেবা পেতে মোটা অংকের ঘুষ দিতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। নামজারি ও খারিজ প্রক্রিয়ায় সরকারি নির্ধারিত ফি মাত্র ১,১৭০ টাকা হলেও বাস্তবে দিতে হচ্ছে ১০ হাজার থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত।বিশেষ করে উপজেলার কুড়িপাড়া ভূমি অফিসের উপ-সহকারী কর্মকর্তা (নায়েব) মফিজ উদ্দিনের বেপরোয়া ঘুষ বানিজ্য ও অসদাচরণে চরম ক্ষুব্ধ সেবাপ্রার্থীরা।চিহ্নিত দুর্নীতিবাজ ওই ভূমি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তদন্ত করে কঠোর ব্যাবস্থা গ্রহণের দাবী জানিয়েছেন ভুক্তভোগী ভূমি মালিকেরা।অভিযোগ প্রমানিত হলে কঠোর ব্যাবস্থা গ্রহণের কথা জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক (ডিসি)।

ফুল হরের আব্দুল কুদ্দুস ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, কুড়িপাড়া ভূমি অফিসে দুই বার নাম জারি ও খাজনা দিতে যাই।কোনো কাগজপত্র না দেখেই নায়েব মফিজ উদ্দিন ২০ হাজার টাকা চায়।তার চাহিদামতো টাকা দিতে না পারায় ৪ মাস আমাদের আবেদন তদন্তের নামে ফেলে রাখে।পরে এ বিষয়ে এসি ল্যান্ড রহিমা আক্তার ইতি কে অবগত করার পর তিনি নায়েব কে ফোন করেন। পরবর্তীতে নামজারি করার পাশাপাশি খাজনা আদায় করা হয়েছে।নায়েব মফিজ উদ্দিনের অনিয়ম ও দুর্নীতির তদন্ত দাবী করেন তিনি।

তথ্যানুসন্ধানে জানা গেছে,সেবাপ্রার্থীরা মালিকানার সকল বৈধ কাগজপত্র দাখিল করলেও প্রতিটি নামজারির জন্য নায়েব মফিজ উদ্দিন কে দিতে হয় ৫ থেকে ১০ হাজার টাকা।কোনো ক্ষেত্রে ৫০ হাজার থেকে লাখা টাকা। ঘুষ না দিলে বিভিন্ন অজুহাতে সার্ভার অকার্যকর দেখানো হয় বা ফাইল আটকে রাখা হয়।এমনকি মাসের পর মাস বহু আবেদন ফেলে রাখা হয়।সেবা প্রত্যাশীরা প্রতিবাদ করলে অসদাচরণ ও চরম হয়রানির মুখে পড়েন বলে অভিযোগ করেছেন অনেকে।এর আগে দীর্ঘ বছর ফতুল্লার পাগলা বাজার ভূমি অফিসে কর্মরত থাকা কালীন ঘুষ বানিজ্যের অভিযোগে মফিজ উদ্দিনের বিরুদ্ধে ব্যপক বিতর্ক সৃষ্টি হলে প্রায় ৬ মাস আগে তাকে বন্দর কুড়িপাড়া ভূমি অফিসে বদলী করা হয়।এখানে যোগদান করার পরপরই শুরু করেন বেপরোয়া ঘুষ বানিজ্য।একইসাথে সেবাপ্রার্থীদের সঙ্গে চরম অসদাচরণের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

ফনকুলের শাকিল জানান, ধামগড় মৌজায় তার মা আমেনা বেগমের নামে জমির খাজনা দিতে গেলে নায়েব মফিজ উদ্দিন তার কাছে অতিরিক্ত ১০ হাজার টাকা দাবী করেন।টাকা না দেওয়ায় প্রায় তিন মাস ধরে তাকে হয়রানি করছেন।এসব অনিয়ম ও দুর্নীতির তদন্ত করে কঠোর ব্যাবস্থা গ্রহণের দাবী জানান তিনি।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ভূমি অফিসের এক ওমেদার জানান,আদালতে মামলা চলমান এবং ওয়ারিশের লিখিত আপত্তি থাকা সত্বেও সোনাচরার গোলাম মাওলা রনি গং কে ১০১৭ নং খতিয়ানের জমি নামজারি করে দেওয়া হয়েছে।বিনিময়ে নায়েব মফিজ উদ্দিন নিয়েছেন দুই লাখ টাকা।তার চাকরির মেয়াদ শেষ পর্যায়ে, আর ৫/৬ মাস বাকি আছে। তাই কোনকিছুর তোয়াক্কা না করে শেষ মুহুর্তে বেপরোয়া ঘুষ বানিজ্যে মেতে উঠেছেন।

এসব অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে নায়েব মফিজ উদ্দিন প্রতিবেদকের ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে বলেন, কথা বলতে বাধ্য না।যা ইচ্ছে লিখেন।

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো.রায়হান কবির বলেন,ওই ভূমি অফিসের নায়েব মফিজ উদ্দিনের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ উঠেছে,তা খতিয়ে দেখা হবে। প্রমাণ পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যাবস্থা গ্রহণের কথা উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন,সরকারি নতুন নিয়মানুযায়ী সবাইকে যথা সময়ে নিজ নিজ অফিসে উপস্থিত থেকে নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে হবে।যে কারো বিরুদ্ধে নুন্যতম অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ প্রমানিত হলে কঠোর ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হবে।

উপজেলার অন্যান্য ইউনিয়ন ভূমি অফিসগুলোর চিত্র প্রায় একই।ভূমি অফিসে ঘুষ বাণিজ্য চলে ওপেন সিক্রেট। এসব অফিসে দালালদের মাধ্যমে সেবাপ্রার্থীদের থেকে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অতিরিক্ত অর্থ আদায় করছেন বলে জানান ভুক্তভোগীরা।সাধারণ মানুষ সরকারি ফি সম্পর্কে না জানায় তারা সহজেই দালালদের ফাঁদে পড়ে যাচ্ছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category