নারায়ণগঞ্জে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ব্যাপক পরিছন্নতা অভিযান চালিয়েছে জেলা প্রশাসন।
হারুন অর রশিদ সাগর নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি:-
ডেঙ্গু ও মশাবাহিত অন্যান্য রোগের বিস্তার রোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করতে নারায়ণগঞ্জ ডেঙ্গু প্রতিরোধে ব্যাপক পরিচ্ছন্নতা অভিযানে খাল, সরকারি দপ্তর, ইউনিয়ন পরিষদ ও হাট-বাজারে একযোগে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম বৃক্ষরোপণ ও সোলার লাইট স্থাপন।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার সাপ্তাহিক পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এ অভিযান পরিচালিত হয়। একই সময়ে শহরের বাগডোমারী খাল, উপজেলা পরিষদের প্রতিটি দপ্তর, ৭টি ইউনিয়ন পরিষদ এবং বিভিন্ন হাট-বাজারে একযোগে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।
পরিচ্ছন্নতা অভিযানে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার নির্বাহী অফিসার এস এম ফয়েজ উদ্দিনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে উপস্থিত থেকে কার্যক্রম পরিদর্শন করেন নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মোঃ রায়হান কবির।
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শিক্ষা ও আইসিটি মোঃ আলিনুর খান সহ জেলা প্রশাসন এবং সদর উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তা ও বিভিন্ন রাজনীতি নেত্রীবৃন্দ সহ স্কাউট, রোভার, লজিক অব বাংলাদেশ-এর স্বেচ্ছাসেবী সদস্যদের পাশাপাশি স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেন।
জেলা প্রশাসক তার বক্তব্যে বলেন আমাদের প্রশাসনের পাশাপাশি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ও সাধারণ মানুষের সম্মিলিত অংশগ্রহণই ডেঙ্গু ও মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। এ ধরনের ধারাবাহিক ও সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে নারায়ণগঞ্জ সদরকে আরও পরিচ্ছন্ন, সবুজ ও জনবান্ধব উপজেলা হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।
অভিযানের পাশাপাশি ফতুল্লা স্টেডিয়াম সংলগ্ন এলাকায় পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শেষে বৃক্ষরোপণ করা হয়। এলাকার পরিবেশের সৌন্দর্য বৃদ্ধি ও সবুজায়নের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের রাত্রিকালীন যাতায়াত আরও নির্বিঘ্ন করতে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সেখানে সোলার লাইট স্থাপন করা হয়।
উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম অব্যাহত রাখার পাশাপাশি জনসম্পৃক্ততা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে যেখানে পানি জমে মশার প্রজননস্থল তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, সেসব স্থান চিহ্নিত করে দ্রুত পরিষ্কার করার মাধ্যমে রোগের ঝুঁকি কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।